Botamghar
জীবনের ছেঁড়া সুতোয় ভালোবাসার নতুন বোতাম লাগানোর গল্প— বোতামঘর।
একটি ছোট্ট টেলারিংয়ের দোকান, কয়েকজন সাধারণ মানুষ, কিছু অপূর্ণ ভালোবাসা, না-বলা অনুভূতি আর সময়ের দীর্ঘ ব্যবধান—এসব নিয়েই গড়ে উঠেছে বোতামঘর-এর হৃদয়ছোঁয়া আখ্যান। মুসাফির, সৌর, জুলু, বেলা এবং আরও বহু জীবন্ত চরিত্রের সুখ-দুঃখ, স্বপ্ন, হারিয়ে যাওয়া সম্পর্ক ও অপ্রকাশিত অনুভূতি ধীরে ধীরে এক সুতোয় গেঁথে যায়।
১৯৮৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক রাতকে কেন্দ্র করে গল্পে আসে অপ্রত্যাশিত মোড়, আর বর্তমান সময়ে উন্মোচিত হয় বহু বছরের জমে থাকা সত্য, অন্যায় এবং না-পাওয়ার হিসাব। শেষ পর্যন্ত অন্ধকার পেরিয়ে ভালোবাসাই হয়ে ওঠে জীবনের সবচেয়ে বড় আশ্রয়।
বোতামঘর কেবল একটি উপন্যাস নয়; এটি স্মৃতি, সম্পর্ক, সময় এবং মানুষের অন্তর্লুকানো আবেগের এক মায়াময় ক্যানভাস, যা শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত পাঠককে গভীরভাবে স্পর্শ করে যায়।

